Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Friday, September 15, 2017

ভারত বাংলাদেশের পাশে আছে | শেখ হাসিনাকে সুষমার ফোন

ভারত বাংলাদেশের পাশে আছে | শেখ হাসিনাকে সুষমার ফোন

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। এ সঙ্কট মোকাবেলায় ভারত বাংলাদেশের পাশে আছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর টেলিফোন আসে বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেসসচিব নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানা যায়।

মিয়ানমার যেন তাদের শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়, সেজন্য ভারতের পক্ষ থেকে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক চাপ দিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন সুষমা স্বরাজ।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামে রোহিঙ্গাদের জন্য ৫৩ টন ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর করে ভারতের হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাও সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ সন্তোষজনক ফলাফল আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিয়ানমার সফরে গেলেও রোহিঙ্গা বিষয়ে কিছু বলেননি, যা নিয়ে আলোচনা ছিল।

শরণার্থীদের ফেরত নিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে ভারত ও চীনের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্যও বাংলাদেশের অনেকে সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছেন।

কথিত এক সন্ত্রাসী হামলার পর ২৫ আগষ্ট থেকে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনা অভিযানে নিপীড়নের শিকার হয়ে তিন সপ্তাহে ৪ লাখের মতো মুসলিম রোহিঙ্গা এরই মধ্যে শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে এসেছে।

নতুন ও পুরনো মিলিয়ে আট লাখ শরণার্থীকে নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে তাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। বিষয়টি আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনেও তুলতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।

মিয়ানমারকে শাস্তি দেয়ার হুমকি আল কায়েদার | অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেয়ার আহ্বান

মিয়ানমারকে শাস্তি দেয়ার হুমকি আল কায়েদার | অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেয়ার আহ্বান

রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের শাস্তি মিয়ানমারকে পেতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা। সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য মুসলিমদের প্রতি আহবান জানিয়েছে। গতকাল বুধবার আল কায়েদার বিবৃতির বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ গ্রুপ সাইট এই তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং ফিলিপাইনে তাদের সদস্যদের প্রতি মিয়ানমারে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিতে বলেছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

বিবৃতিতে আল কায়েদা মুসলিমদের সহায়তা ছাড়াও অস্ত্র এবং সামরিক সাহায্য দেওয়ার আহবান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, আমাদের মুসলিম ভাইদের ওপর যেভাবে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার শাস্তি মিয়ানমারকে পেতেই হবে। এ থেকে তাদের মুক্তি নেই। মুসলিম ভাইয়েরা যে ধরনের শাস্তি পাচ্ছেন সেই শাস্তি মিয়ানমার সরকারকেও পেতে হবে। মিয়ানমার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন শহরে সন্ত্রাসী হামলার হুমকির সতর্কবার্তা দিয়েছে।

মিয়ানমারের উপর অবরোধ আরোপের প্রস্তাব গৃহীত | ইইউ

মিয়ানমারের উপর অবরোধ আরোপের প্রস্তাব গৃহীত | ইইউ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টে মিয়ানমারের ওপর অবরোধ আরোপের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। পার্লামেন্টে এ সম্পর্কিত একটি রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়েছে। এর একদিন আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

রোহিঙ্গা বিষয়ে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে এক বিতর্কের পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপিয়ান কমিশনকে মিয়ানমার সরকারের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকানোর জন্য গৃহীত যৌথ রেজ্যুলেশনে চাপ বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

যৌথ রেজ্যুলেশনে শাখারভ পুরস্কারপ্রাপ্ত অং সান সু চি’কে মনে করিয়ে দেয়া হয়, এই পুরস্কার তাকেই দেয়া হয় যে মানবাধিকার রক্ষা করবে, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেবে এবং আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান জানাবে। এছাড়া দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয় যারা এগুলো পালন করবে না তাদের শাখারভ পুরস্কার ফেরত দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে কিনা।

পাশাপাশি রাখাইনে হত্যা, সহিংস ঘটনা, বেসামরিক নাগরিকের সম্পদ ধ্বংস এবং বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং হত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণ বন্ধের জন্য মিয়ানমার সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানায়।

রেজ্যুলেশনে বলা হয়, ইইউ সদস্যরা ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের জন্য প্রস্তুত এবং মিয়ানমার যেসব বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে থাকে সেটি পুনর্বিবেচনা করার বিষয়েও বলা হয়। ৫০-এর অধিক ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য এই যৌথ রেজ্যুলেশন সংসদে নিয়ে আসেন এবং বিতর্কের পরে এটি গৃহীত হয়।

কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে রেজ্যুলেশনে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, ২০১৫ সালের ১৮ মে অং সানর সুচির রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র বলেছিলেন, মিয়ানমারের সরকারের উচিত রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়া।

এছাড়া সহিংসতা বন্ধে ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের চীন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শক্তিকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, ‘আসিয়ান ও আঞ্চলিক সরকারগুলো যেন মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করে এবং সব বেসামরিক মানুষকে সুরক্ষা ও শরণার্থীদের সহায়তা দেয়।

Wednesday, September 13, 2017

চিনে পাচারের পথে ১০০ কোটির সাপের বিষ উদ্ধার

চিনে পাচারের পথে ১০০ কোটির সাপের বিষ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গোপসাগর থেকে জলদস্যুদের লুঠ করা একশো কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার করল সীমা সুরক্ষা বল (এসএসবি)-এর জওয়ানরা। বাংলাদেশ থেকে এরাজ্যে হয়ে ওই বিষ পাচার হচ্ছিল চিনে। তবে মাঝপথেই ধরা পড়ে গেল পাচারকারীরা। মঙ্গলবার, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত থেকে তিনটে বিষের পাত্র সমেত তিন পাচারকারীকে পাকড়াও করলেন সীমা সুরক্ষা বলের জওয়ানরা। সঙ্গে ছিল বনদপ্তর, সিআইডিও। তিনটি বুলেট প্রুফ বেলজিয়াম কাচের সিল করা পাত্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ছ’পাউন্ড গোখরোর বিষ। ওই বুলেট প্রুফ পাত্রগুলির প্রত্যেকটির দাম ৪৫ লক্ষ টাকা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন ফাঁদ পেতে এই পাচারকারীদের ধরা হয়। বুধবার এই তিনজনকে আদালতে পেশ করা হবে।

একটি মারুতি আই টেন গাড়িতে করে এদিন সাপের বিষ ভরা পাত্রগুলি নিয়ে দমদম বিমানবন্দরে যাচ্ছিল তিন পাচারকারী। বারাসতের রথতলা মোড়ের কাছে তাদের আটকায় এসএসবি, বনদপ্তর ও সিআইডি। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ওই তিনটি বুলেট প্রুফ পাত্র উদ্ধার হয়। উত্তর ২৪ পরগনার ডিএফও মানিক সরকার জানিয়েছেন, “তিনটি পাত্রে তিন রকম বিষ পাওয়া গিয়েছে। তরল, পাউডার ও ক্রিস্টাল। এই তিনটির আনুমানিক বাজার মূল্য একশো কোটি টাকা।” এসএসবির ৬৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের কমানড্যা্ন্ট ডি কে সিং জানিয়েছেন, “সম্প্রতি একটি জাহাজে করে ফ্রান্স থেকে জাপানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এই বিষের পাত্রগুলি। বঙ্গোপসাগরে সেই জাহাজটি লুঠ করে জলদস্যুরা। ওই লুঠ হওয়া বিষের পাত্র বিভিন্ন হাত ঘুরে বাংলাদেশে পৌঁছয়। সেখান থেকে চোরাপথে এরাজ্যে ঢোকে। এই তিন পাচারকারী ওই তিনটে বিষের পাত্র দমদম বিমানবন্দরে অন্য এক দলের হাতে তলে দিত। তারা এগুলি চিনে পাচার করত।”

এসএসবি ও বনদপ্তর সূত্রে খবর, চিনের কালোবাজারে ব্যাপক চাহিদা এই বিষের। ওষুধ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন মাদক তৈরির কাজেও ব্যবহার হয় এই বিষ। মূলত দুরারোগ্য অসুখের ওষুধ তৈরি হয় এই বিষ থেকে। বনদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ধৃত তিনজনের মধ্যে একজন ডেবরার বাসিন্দা। বাকি দু’জন মধ্যমগ্রাম আর টালিগঞ্জের। বুধবার তাদের বারাসত আদালতে পেশ করা হবে।

তদন্তকারীদের থেকে জানা যায়, সাপের বিষ মূলত তরল পদার্থে থাকে। সেগুলি শুকিয়ে পাউডার আর ক্রিস্টালে রূপান্তর করা হয়। ওষুধ তৈরি করতে বিষের এই তিনটি ধরনই প্রয়োজন হয়। এর আগেও শিলিগুড়ি থেকে এধরনেরই সাপের বিষের পাত্র উদ্ধার করা হয়। তবে এসএসবি সূত্রে খবর, এই দলের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল। তবে তাদের ধরা সম্ভব হয়নি।

প্রবাসীদের কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে সৌদি আরবে | ৫৯ হাজার বাংলাদেশীর উদ্বেগ

প্রবাসীদের কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে সৌদি আরবে | ৫৯ হাজার বাংলাদেশীর উদ্বেগ

অনলাইনঃ দেশটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কনফেকশনারী বা মুদি দোকানে কোন বিদেশি কাজ করতে পারবে না।ফলে কাজ হারানোর আশঙ্কা করছে প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী। সিন্ধান্ত ঠেকানো না গেলেও অন্তত আকামা পরিবর্তনে বিষয়ে সৌদির সাথে আলোচনার তাগিদ বিশ্লেষকদের। আর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জানিয়েছেন, বাংলাদেশিরা যাতে অন্য কাজ করতে পারে সে বিষয়ে দূতাবাসকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ২৫ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন সৌদি আরবে। তাদের মধ্যে পঞ্চাশ হাজারের মতো কর্মী বিভিন্ন কনফেকশনারী বা মুদি দোকানে কাজ করেন। অনেকেই বিনিয়োগও করেছেন এই খাতে।সম্প্রতি দেশটির শ্রম ও সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয় খসড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সৌদি আরবের নাগরিক নন এমন কেউ কনফেনশনারী বা নিত্য পণ্যের দোকানে চাকরি করতে পারবে না। এসব দোকান শতভাগ দেশীয়করণ করা হবে।এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে খাতটিতে বিনিয়োগ ও চাকরি করা প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশি কাজ হারাবে। এতে করে হতাশ বাংলাদেশিরা।সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে দেশের কর্মীদের বিষয়ে জোরালো ভূমিকা নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন শ্রম অভিবাসন বিশ্লেষকরা।বিষয়টি নজরে এসেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়েরও। তবে সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুব একটা করণীয় দেখছেন না সচিব। এর আগেও বিদেশি কর্মীদের জন্য মোবাইল ফোন ও খুচরা যন্ত্রাংশের দোকানেও কাজের সুযোগ বন্ধ করে সৌদি সরকার।

তুরস্কে সব ধরণের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ জার্মানির

তুরস্কে সব ধরণের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ জার্মানির

তুরস্কে সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে জার্মানি। দেশটির অবনতিশীল মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং ন্যাটো মিত্র দেশ দুটির মধ্যে টানাপড়েনকে কেন্দ্র এ পদক্ষেপ নিয়েছে বার্লিন।

জার্মান ভাইস চ্যান্সেলর এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল বলেছেন, বড় বড় অস্ত্রের জন্য তুরস্ক যে আহ্বান জানিয়েছিল তা সরবরাহ করার বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়েছে। এগুলোর সংখ্যা কম নয় বলেও জানান তিনি। কথিত রাজনৈতিক অভিযাগে আরো এক জার্মান দম্পতিকে তুরস্কে আটক করা হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানোর পর অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ন্যাটো অংশীদার হিসেবে বার্লিন সাধারণভাবে অস্ত্র পাঠানোর অনুরোধ মেনে নেয়। কিন্তু তুরস্কে বিরাজমান পরিস্থিতির কারণে এ ধরণের অনুরোধ স্থগিত রাখা হয়েছে।–আইআরআইবি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পক্ষে সরাসরি অবস্হান চীনের

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পক্ষে সরাসরি অবস্হান চীনের

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যে জরুরি বৈঠক বসতে যাচ্ছে, তাতে কোন দেশ কী অবস্থান নেবে?

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার মাত্র গতকালই রাখাইনে যা ঘটছে তাকে 'টেক্সটবুক এথনিক ক্লিনজিং' অর্থাৎ জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের যা সংজ্ঞা, হুবহু তাই বলে বর্ণনা করেন। তারপরই জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই পরিষদের বৈঠক হচ্ছে।

জানা গেছে, বৃটেন এবং সুইডেনের অনুরোধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এই জরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে। কিন্তু সেখানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হত্যা-নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগে মিয়ানমারের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা এখনো পর্যন্ত ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের যেকোনো দেশ একটি যদি কোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেয়, তাহলে সেটি আটকে যায়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠকে তাই ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর অন্যতম কারণ, চীন এখনো পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকটে মিয়ানমার সরকারের গৃহীত সব ব্যবস্থাকে শতভাগ সমর্থন জানিয়ে চলেছে।

আজ মঙ্গলবার চীন আবারও বলেছে, তারা 'শান্তি ও স্থিতিশীলতা' রক্ষায় মিয়ানমার সরকারের পাশে আছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেছেন, "মিয়ানমার সরকার তাদের জাতীয় উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে চেষ্টা করছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত তার পাশে থাকা।"

রাশিয়ার অবস্থানও মিয়ানমারের পক্ষে বলে মনে করা হচ্ছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তাব যদি ভোটাভুটিতে দেয়া হয়, তাহলে রাশিয়া তাতে কতটা সমর্থন দেবে, সেটা নিয়ে সংশয় আছে।

জাতিসংঘের কূটনীতিকদের উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, রোহিঙ্গা সংকটে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কোনো মাথা গলাক, সেটা চীন চায় না।

নিরাপত্তা পরিষদের আরেক স্থায়ী সদস্য অবশ্য রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপারে তাদের দীর্ঘ নীরবতা ভেঙেছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সহিংসতার মুখে যেভাবে রোহিঙ্গারা তাদের বাড়ীঘর ছাড়া হয়েছে তাতে বোঝা যায় মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে বেসামরিক মানুষকে নিরাপত্তা দিচ্ছে না।

উল্লেখ্য নিরাপত্তা পরিষদে গত সপ্তাহে আরেকটি বৈঠকেও চীন মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।- বিবিসি

Tuesday, September 12, 2017

শেখ হাসিনার প্রতি আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

শেখ হাসিনার প্রতি আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

অনলাইনঃ মিয়ানমার  থেকে বিতাড়িত বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (এআরএনও)। এক বিবৃতিতে তারা বলছে, ‘আমাদের মতো অসহায় এক জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকারময় মুহূর্তে মানবতার প্রথম হাতটি বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিকভাবে পূর্ব কোনো সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি না পেয়েও তাঁর সরকার আমাদের আশ্রয় দিয়েছেন।’
ওই বিবৃতিতে তারা আরো জানিয়েছে, ‘এটি পূর্বের কথাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ১৯৭৪ সালেও সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জোর ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় মিয়ানমারের সংখ্যালঘু নিধন অভিযান বন্ধে সামরিক জান্তাকে বাধ্য করেছিলেন। নিজেদের নানান সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বর্তমান সরকারও একইভাবে আমাদের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন। রাখাইনে হত্যাযজ্ঞ বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আমাদের পাশে রয়েছেন।’
‘বঙ্গবন্ধু যেমন রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে মুসলিম ভাই হিসেবে বিবেচনা করতেন, তেমনি এই সরকারের কাছেও আমাদের তেমন সহানুভূতি পাওয়ার দাবি জানাচ্ছি। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলো পরিদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া আমরা সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠী নিধনে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সরব হওয়ার প্রার্থনা করছি। আমরা চাই বাংলাদেশ সরকারের মধ্যস্থতায় ও আন্তর্জাতিক মহলের কূটনেতিক প্রচেষ্টায় এই অমানবিক কার্যক্রম বন্ধ হবে’ বলেও আকুতি জানাচ্ছে এআরএনও।
শুরু হলো রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন

শুরু হলো রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন

অনলাইন ডেস্কঃ
নাম: রুবিয়া খাতুন। নারী, বয়স ৬০। বাবার নাম: নাগু। মায়ের নাম: সুফিয়া খাতুন। জন্ম তারিখ: অজানা। জন্মস্থান: মিয়ানমার। দেশ: মিয়ানমার। জাতীয়তা: রোহিঙ্গা।

এমন সব তথ্য দিয়ে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে গতকাল সোমবার রাতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হলেন রোহিঙ্গা নারী রুবিয়া খাতুন। সহিংসতার মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরীক্ষামূলকভাবে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন গতকাল শুরু হয়েছে। রাত পৌনে নয়টায় রুবিয়া প্রথম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হন।

আজ মঙ্গলবার সকালে এই বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান বলেন, ‘গতকাল পরীক্ষামূলকভাবে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরুর হওয়ার পর ২০ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করা হয়। এর মধ্যে আটজনকে আমরা পরিচয়পত্র তুলে দিয়েছি।’

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে সহিংস দমন-নিপীড়ন শুরু হয়। সহিংসতার মুখে আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে ছুটে আসছে রোহিঙ্গারা।

আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তাকারী সংগঠনগুলোর জোট ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি) তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, রাখাইন থেকে এবারের সহিংসতায় ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ১৩ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কাজ করা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরসহ কয়েকটি সংস্থার হিসাবও একই।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কেন্দ্র। চলতি দফায় বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসার পর সরকার বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের পরিকল্পনা নেয়। রোহিঙ্গাদের এই বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান বলেন, ‘ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কাজ করছে। এতে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টাইগার আইটি।’

রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের জন্য তিন ধরনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টাইগার আইটি সূত্র জানায়। প্রক্রিয়া অনুযায়ী, প্রথমে রোহিঙ্গাদের ব্যক্তিগত তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এতে থাকছে নাম, বাবা-মার নাম, দেশ, ধর্ম, লিঙ্গ-সংক্রান্ত তথ্য। এরপর তাদের ছবি তোলা হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে আঙুলের ছাপ।

টাইগার আইটির উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) রাজীব চৌধুরী বলেন, ‘গৃহহারা, নিঃস্ব রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার পাশাপাশি মিয়ানমারের নাগরিক এসব ব্যক্তির নিবন্ধনের বিষয়ে সরকারের জরুরি আহ্বানে আমরা সাড়া দিয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা সফটওয়্যার তৈরি করে কাজ শুরু করেছি।’

রাজীব চৌধুরী জানান, জার্মানিতে যেভাবে সিরিয়ার কয়েক লাখ শরণার্থীকে নিবন্ধন করা হয়েছে, এখানে রোহিঙ্গা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে তাঁরা সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছেন।

সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের ফলে এবার আসা ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সম্পর্কে তথ্য সরকারের কাছে থাকবে। পাশাপাশি নিবন্ধনের পর রোহিঙ্গাদের যে কার্ড দেওয়া হবে, তা রেশন, খাবার, স্বাস্থ্যসুবিধা, শীতবস্ত্রসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের কাজে লাগবে।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর যে প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করে, রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়ার অনেক কিছুই মেনে চলা হচ্ছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

টাইগার আইটির সফটওয়্যার মডিউলের প্রধান আল মামুন চৌধুরী বলেন, এখানে রোহিঙ্গাদের ব্যক্তিগত তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি তাদের ১০ আঙুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে। ছবি তোলা হচ্ছে ক্যানন ৭০০ ডি ক্যামেরায়। এ ছাড়া তাদের চোখের মনির ছবিও নেওয়া হবে।

কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কার্যক্রম। কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের পাশাপাশি অন্যান্য স্থানে আরও ১৫ থেকে ২০টি কেন্দ্র খুলে এখন থেকে প্রতিদিন বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কার্যক্রম চলবে বলে জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩৫০ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করা হতে পারে বলে জানান তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান বলেন, ‘নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ। তবে আমরা সফলভাবে এটা শেষ করতে পারব বলে আশা করছি।’

ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন সংস্থার ভাষ্য, বাংলাদেশে ১৯৭৮ সালে প্রথম রোহিঙ্গারা আসতে শুরু করে। ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। পরে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তির পর রোহিঙ্গাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চলে যায়। ১৯৯২ সাল থেকেই কুতুপালং ও নয়াপাড়ায় দুটি আশ্রয় শিবির খোলা হয়। সেখানে ৩০ হাজারের বেশি নিবন্ধিত রোহিঙ্গা আছে। এসব নিবন্ধিত রোহিঙ্গার পাশাপাশি দেশে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা আছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়। গত বছরের অক্টোবরে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন শুরু হয়। ওই দফায় ৯২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। আর এখন সেখানে নতুন করে সহিংসতা চলছে

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদে জরুরী বৈঠক বসছে আগামীকাল

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদে জরুরী বৈঠক বসছে আগামীকাল

অনলাইনঃ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর অবিরত নৃশংসতা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন রোহিঙ্গা। তাই জরুরি ভিত্তিতে আগামীকাল রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়ে বৈঠকে ডেকেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ বৈঠক আহ্বনা করেছে বৃটেন ও সুইডেন। তবে জাতিসংঘের কূটনীতিকরা বলছেন, আগামীকাল রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে জাতিসংঘের শীর্ষ এই সংস্থা যখন জরুরি বৈঠক ডেকেছে, তাতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে চীন। 
জাতিসংঘে নিযুক্ত বৃটেনের স্থায়ী রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ রাইক্রোফট রোহিঙ্গাদের দুর্দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক নিয়ে বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে কি অবর্ণনীয় অবস্থা চলছে, তাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা কি পরিমাণে উদ্বিগ্ন সে বিষয়টি ফুটে উঠেবে বৈঠকে।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের তথ্য মতে, ২৫ শে আগস্ট সহিংসতা শুরুর পর কমপক্ষে তিন লাখ ১৩ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জায়েদ রাদ আল হোসেন মিয়ানমারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ওপর ‘সিস্টেম্যাটিক আক্রমণ’ চালাচ্ছে মিয়ানমার। তিনি এটাকে জাতি নির্মূল বা এথনিক ক্লিনজিং বলে আখ্যায়িত করেন। হোয়াইট হাউজ থেকেও রোহিঙ্গাদের পরিণতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। 

জানা যায়, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারের জন্য মিয়ানমারকে খুব বেশি প্রয়োজন চীনের। তা ছাড়া তাদের অস্ত্রের বড় বাজার রয়েছে মিয়ানমারে। রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে যখনই জাতিসংঘে যাওয়ার আলোচনা উঠেছে ঠিক তখন থেকেই মিয়ানমার কূটনৈতিক দুতিয়ালি শুরু করেছে। তারা চীন ও রাশিয়াকে হাতে নেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে রিপোর্ট বেরিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘে রোহিঙ্গা ইস্যুতে, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যদি কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয় বা হওয়ার আলামত দেখা দেয়, তা বন্ধ করে দিতে বা সেই উদ্যোগে ভেটো দিতে চীন এবং রাশিয়াকে প্রলুব্ধ করেছে বা করছে মিয়ানমার। তারই ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতিসংঘের কূটনীতিকরা।