Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

Monday, September 11, 2017

আর্জেন্টিনা ছাড়া বিশ্বকাপ | হতাশ করলেন মেসি

আর্জেন্টিনা ছাড়া বিশ্বকাপ | হতাশ করলেন মেসি

ডেস্ক রিপোর্ট : বর্তমান ফুটবল দুনিয়ায় মেসির ভক্ত সংখ্যা কত? এই প্রশ্নের সত্যিই কোনো উত্তর প্রয়োজন নেই। তরুণদের তো বটেই বুড়োদেরও হৃদয়ে আসন গেড়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর।

মেসির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে। এটা চলবেও। কিন্তু তাই বলে তার ভক্তকুলকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। সেই ভক্তকুলের কী হবে, যদি আগামী বিশ্বকাপটাই খেলতে না পারেন মেসি!
অনেকেরই মতে, মেসি হতে পারেন ফুটবলের পঞ্চম রাজা (ডি স্টেফানো, পেলে, ইয়োহান ক্রুইফ আর জিকোর পর)। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন একটা বিশ্বকাপের শিরোপা। তিনটা বিশ্বকাপ খেলেছেন আর্জেন্টাইন এ তারকা। এর মধ্যে দুইটাতে (২০১০ ও ২০১৪) ছিলেন প্রধানতম তারকা। গতবার তো ফাইনালেও নিয়ে গিয়েছিলেন দলকে। কিন্তু বার বার ফাইনালে গিয়েও ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন। অভিমানে তাই অবসরেও গিয়েছিলেন। আর্জেন্টাইনরা তো বটেই সারা দুনিয়ার ফুটবল ভক্তরা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমেই আবারও ফিরিয়েছেন মেসিকে। কিন্তু এই ফেরাটাই যে অর্থহীন হওয়ার পথে! বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব পাড়ি দিয়ে আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত পর্বে স্থান করে নেওয়ার আশাটা এখন টিম টিমে আলোর মতো জ্বলছে। হাতে আছে আর মাত্র দুটি ম্যাচ। প্রতিপক্ষ পেরু এবং ইকুয়েডর। পেরুর বিপক্ষে জিতলেই নিশ্চিত হবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্ব। কিন্তু এই ম্যাচ হেরে গেলে খেলতে হতে পারে মহাদেশীয় প্লে-অফ। সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনাকে লড়াই করতে হবে ওশেনিয়া অঞ্চলের বাছাই পর্ব চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। কম্বেল অঞ্চল থেকে বাছাই পর্ব পাড়ি দিয়েছেন কেবল ব্রাজিল। আরও তিনটি দল সরাসরি এবং একটি প্লে-অফ খেলে বাছাই পর্ব পাড়ি দিয়ে চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। পয়েন্ট তালিকায় ব্রাজিল ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। উরুগুয়ে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে। ২৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে কলম্বিয়া। চার ও পাঁচ নম্বরে থাকা পেরু ও আর্জেন্টিনার সংগ্রহ ২৪ পয়েন্ট করে। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় আর্জেন্টিনার উপরে আছে পেরু। অবশ্য পরের দুই ম্যাচে পেরুকে খেলতে হবে আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে। সুতরাং পেরুর জন্য চূড়ান্ত পর্বে খেলা কঠিনই। অন্যদিকে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে থাকা চিলিও উঠে আসতে পারে উপরের দিকে। তারা পরের দুই ম্যাচে ব্রাজিল ও ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে। আর্জেন্টিনার সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে। গত ম্যাচে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ড্র করে চূড়ান্ত পর্বে খেলার আশা আরও শঙ্কার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন মেসিরা।

আর্জেন্টিনা সর্বশেষ বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব পাড়ি দিতে পারেনি ১৯৭০ সালে। এরপর থেকেই তারা বিশ্বকাপে নিয়মিত। দীর্ঘ ৪৭ বছর পর কী তবে আলবেসিলেস্তরা চূড়ান্ত পর্ব খেলতে পারবে না! তাও লিওনেল মেসির যুগে! আর্জেন্টিনার অনুপস্থিতি কেবল ভক্তদের জন্যই নয়, বিশ্বকাপের মূল আসরের জন্যও হবে বেদনাদায়ক। মেসিকে উপলক্ষ করে যেসব বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসতো, তারা পিছুটান দিতে পারে। তাছাড়া ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল দুটি দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। এদের কোনো একটিও যদি বিশ্বকাপ খেলতে না পারে তবে তা ফুটবলের জন্যই ক্ষতিকর। কিন্তু ফিফার এমন কোনো নিয়ম নেই যে সেরা দলগুলোকে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ এনে দিবে। এমনকি চ্যাম্পিয়ন দলকেও বাছাই পর্ব পাড়ি দিয়েই আসতে হয়। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে না থাকলে ক্ষতি হবে অনেক। তবে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যথাসময়ে, যথা নিয়মে।

Sunday, September 10, 2017

বিরাটের টুইটে আপ্লুত পাকিস্তানের সমর্থকরা

বিরাটের টুইটে আপ্লুত পাকিস্তানের সমর্থকরা


বিরাট কোহলির শিক্ষক দিবসের পোস্ট যত না ভারতীয়দের মনে দাগ কেটেছে তার থেকে অনেক বেশি আপ্লুত করেছে পাকিস্তানের ক্রিকেট সমর্থকদের। টুইটারে বিরাট যে ছবিটি পোস্ট করেছেন, সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিরাট বসে রয়েছেন আর পিছনে লেখা রয়েছে একঝাঁক প্রাক্তন ক্রিকেটারদের নাম।

সেই তালিকায় শচিন টেন্ডুলকার যে সবার উপরে থাকবেন সেটাই স্বাভাবিক। সঙ্গে কপিল দেব, সেবাগ, সৌরভ, শন পোলক, রিচার্ডস, লারা কে নেই। কিন্তু পাকিস্তান সমর্থকদের আপ্লুত হওয়ার কারণ হলো সেই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন, ইমরান খান, জাভেদ মিয়াঁদাদ ও ইনজামাম উল হক। সেই পোস্টে বিরাট লেখেন, ‘‘বিশ্ব জুড়ে সব শিক্ষকদের বিশেষ করে যাঁরা ক্রিকেট বিশ্বের সবাইকে শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা।’’

উচ্ছ্বসিত পাকিস্তান ফ্যানরা কেউ লিখেছেন, ‘‘বর্তমান যুগের গ্রেট প্লেয়ারকে পাকিস্তানের তরফে সম্মান।’’ কেউ লিখেছেন, ‘‘অনেক ভালবাসা’’। কারও পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘অসাধারণ ব্যাকড্রপ।’’ কেউ লিখেছেন, ‘‘কোহলি হলো প্রতিভা মাঠের মধ্যেও মাঠের বাইরেও।’’ কেউ লেখেন, ‘‘অসাধারণ অভিব্যাক্তি।’’ এত কিছুর পরও কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই তালিকায় কোথাও কেন নেই অনিল কুম্বলে? জবাবও অবশ্য তৈরি, রবি শাস্ত্রীও কিন্তু নেই। - সংবাদসংস্থা

Thursday, September 7, 2017

নেত্রকোনার খালিয়াজুরিতে কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনার খালিয়াজুরিতে কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত

খালিয়াজুরী  (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা ॥
খালিয়াজুরী সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বুধবার স্থানীয় উপজেলা পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারে বিভিন্ন বয়সী আবৃতিকার আর কবিদের নিয়ে আলোচনা সভা ও কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রথম পর্বে আলোচনা সভায় খালিয়াজুরী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মহসিন মিয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ওই পরিষদের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম তালুকদার, সাধারন সম্পাদক অমিতাব বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক অনন্ত চয়ন দাস প্রমূখ। পরে ২য় পর্বে উপজেলায় এবারেই প্রথম বারের মতো আয়োজিত কবিতা উৎসবে কবিতা আবৃতি করেন মহসিন মিয়া, শফিকুল ইসলাম তালুকদার, স্বাগত সরকার শুভ, অমিতাভ বিশ্বাস, মির্জা জাকির হোসেন মনা, অনন্ত চয়ন দাস, সাগর সরকার জয়, সুপ্রভাত দেব নাথ, ঐর্শ্বয্য দেব রায় অর্ঘ্য, তুষার সরকার ও ক্ষুদে আবৃতিকার অক্ষর ফয়েজ। কবিতা উৎসবটি পরিচালনা করেন আবৃতিকার শফিকুল ইসলাম তালুকদার ও অনন্ত চয়ন দাস।

Monday, September 4, 2017

মাশরাফির জন্য কাঠমিস্ত্রীর ভালোবাসা

মাশরাফির জন্য কাঠমিস্ত্রীর ভালোবাসা

অনলাইন ডেস্কঃ
নাম তার বাবলু সরদার। পেশায় কাঠমিস্ত্রি। কাঠ নিয়ে কারুকাজ করাই তার কর্ম। কঠিন পরিশ্রম করেই চলে তার দিন। প্রতিটা মুহূর্তই তার মহামূল্যবান। কিন্তু ভালোবাসার জন্য তার এই মূল্যবান সময় থেকে দিলেন ৯৩টি দিন। তৈরি করলেন প্রিয় তারকার ভাস্কর্য। দিন রাত খেটে তৈরি করা এ ভাস্কর্যটি আবার সেই প্রিয় তারকাকে দিয়ে দিলেন বিনা স্বার্থেই। আর তা করবেনই না কেন, কারণ ধনদৌলত টাকা পয়সার চেয়ে তার কাছে ভালোবাসা যে অনেক বড়। আর এ ভালবাসাটা তার বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজার জন্য।

চট্টগ্রামে টাইগাররা লড়ছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এদিন মাশরাফি সকালে উঠে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন খেলা দেখার। কিন্তু তখন হঠাৎই হাজির হন বাবলু সরদার। সাথে তার ভাস্কর্য। ভালোবাসার এ উপহারটি তাকে দিলেন বিনা স্বার্থেই। মাশরাফিও এ উপহার পেয়ে আপ্লুত। যখন জানতে পারেন এটা তৈরি করতে তার সময় লেগেছে ৯৩ দিন, তখন তিনি অবাক হন। বাবলু তাকে জানালেন এটা তার (মাশরাফি) প্রতিকৃতি। খুব একটা মিল খুঁজে পাননি মাশরাফি। খুঁজতেও যাননি। মূল্যও জানতে চাননি। কারণ মিল বা মূল্যে ছাপিয়ে এখানে ফুটে উঠেছে ভালোবাসা। আর ভালোবাসার উপহার সবসময়ই অমূল্য।

এমনিতে সেলফি তোলাটা খুব একটা পছন্দের নয় মাশরাফির। কিন্তু ভক্তদের দাবিতে এ অপ্রিয় কাজটা করেন হরহামেশাই। বাবলু সরদারেরতো সেলফি তোলার মোবাইলই নেই। তাই এমন কোনো আবদার মেটাতে হয়নি তাকে। কিন্তু এদিন নিজে থেকেই তুললেন সেলফি। সকাল বেলায় ঘরে তখন খালি গায়েই ছিলেন মাশরাফি। দ্রুত একটি গামছা গায়ে দিয়েই তুললেন সেলফি। আর তা নিজের ফেসবুকে আপলোড করে জানিয়ে দিলেন বন্ধুদের। আজ নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় সিক্ত অধিনায়ক।

ক্যাপশনে মাশরাফি লিখেন, ‘সেলফির যুগে তার কাছে ছবি তোলার মোবাইল নাই, থাকলেও তুলতে চাইতেন না। আমার কাছে দুই মিনিট সময় নিয়ে কাজ সেরেছেন এক মিনিটে। অথচ জিনিসটা বানাতে তার সময় লেগেছে ৯৩ দিন (৩মাস ৩ দিন)। বিনা স্বার্থে দান করে গেলেন আমাকে। আর বলে গেল, এটা তুমি। কেউ মিল খুঁজবেন না বা মূল্মুয খুঁজবেন না। কারণ কাঠের তৈরি জিনিসটার ভেতর তিনি শুধু একজন খেলোয়াড়কেই উপস্থাপন করেছেন। যেটা হয়তো এইগুলোর থেকে তার শ্রমটাই আমার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জনাব বাবলু সরদার। আমাকে এটা উপহার দেওয়ার জন্য। আর আমার ঘরের সবচেয়ে ভালো জায়গা এটা স্হান পাবে।

Saturday, September 2, 2017

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ জয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন নাসির-সাব্বির

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ জয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন নাসির-সাব্বির

স্পোর্টস ডেস্ক: নাসির হোসেন ও সাব্বির রহমান দোয়া চেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট জয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে। আসছে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২-০ তে সিরিজ জয়ের মিশন নিয়ে টিম ক্রিকেট বাংলাদেশ মাঠে নামবে।

চট্টগ্রামের পুলিশ লাইন ঈদগাহ মাঠে আজ শনিবার সকালে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করতে এসে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান ক্রিকেটার নাছির ও সাব্বির। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য দোয়া চান তারা, ‘দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সবাই আমাদের সিরিজ জয়ের জন্য দোয়া করবেন। ’

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই ঈদ জামাতে নাসির, সাব্বিরদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন মুমিনুল হক। সাথে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ওসমান খাজা।

মিরপুরে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে (২৭-৩০ আগস্ট) অজিদের বিপক্ষে ২০ রানের ঐতিহাসিক জয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে যায় টাইগাররা। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শেষ ম্যাচটিকেও নিজেদের করে নিতে চাইছেন লাল-সবুজের এই দুই ক্রিকেটার।  

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ সম্পর্কে তামিমের সাক্ষাৎকার

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ সম্পর্কে তামিমের সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে প্রথম জয়। অথচ সেটি কিনা আর মনেই রাখতে চান না তামিম ইকবাল! চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্ট যে কড়া নাড়তে শুরু করেছে। অতীত ভুলে দলের সবাইকে সেদিকেই তাকাতে বললেন উৎপল শুভ্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে

উৎপল শুভ্র: অস্ট্রেলিয়া-জয়ের তাৎক্ষণিক অনুভূতি তো কালই শুনেছি। ২৪ ঘণ্টা পর নতুন কিছু কি বলবেন?

তামিম ইকবাল: ভালো লাগছে। তবে এমন নয় যে, এখনো শুধু এই জয় নিয়েই ভাবছি বা সকালে উঠেই তা মনে পড়েছে। হয়তো মোবাইল ঘাঁটছি, ম্যাচের হাইলাইট চলে এল, একটু দেখলাম, এই আর কী! পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি, খেলা-টেলা মাথায় থাকছে না। একদিক থেকে ভালোই হচ্ছে।

শুভ্র: মিরপুরের এই উইকেট তো ব্যাটসম্যানশিপের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিয়েছে। টেকনিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্ট কী করতে হয়েছে?

তামিম: আমি আগেও বলেছি, এই উইকেটটা এমন ছিল যে, পরের বলটা কী হবে, আপনি তা জানেন না। গুড লেংথ থেকে বল লাফিয়ে উঠতে পারে, আবার গড়িয়ে গিয়ে উইকেটে লাগতে পারে। আমি তাই এটি যে স্পিনিং উইকেট, তা ভুলে গিয়ে ফ্ল্যাট উইকেট ভেবে খেলেছি। যার মানে বল মিডল স্টাম্পে পড়লে সোজা খেলব। স্পিনের জন্য খেলতে গিয়ে যদি বল সোজা হয়ে যায়, তাহলে তো গেল! আপনি খেয়াল করলে দেখবেন, এই ম্যাচে স্পিন করা বলে কিন্তু কম আউট হয়েছে। সোজা বা ভেতরে আসা বলে বেশি।

শুভ্র: এমন উইকেটে ব্যাটিং করা তো স্কিলের সঙ্গে মানসিক শক্তিরও পরীক্ষা নেয়, তাই না?

তামিম: তা তো নেয়ই। মনে অনেক কিছু কাজ করে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইমরুল যে বলটায় আউট হলো, সেটি তো আমার প্রথম ওভারেও তো হতে পারত। এসব তাই মাথায় রাখিনি। ঠিক করেছি, নরমাল ক্রিকেট খেলব, খুব বেশি শট খেলব না। আবার পজিটিভও থাকব। পজিটিভ মাইন্ডসেট থাকাটা খুব জরুরি। ওয়ার্নারের ব্যাটিং তো দেখেছেন। প্রথম ইনিংসে একটা বলেও ও স্বচ্ছন্দ ছিল না। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ও পজিটিভ মাইন্ডসেট নিয়ে নেমেছে বলে সেঞ্চুরি করতে পেরেছে।

শুভ্র: মনঃসংযোগটাও বেশি লাগে এখানে, এত লম্বা সময় ব্যাটিং করার সময় মানসিক ক্লান্তির সঙ্গেও তো একটা লড়াই জিততে হয়...

তামিম: তা তো বটেই। ফ্ল্যাট উইকেটে ভালো বলেও চার মেরে দেওয়া যায়, এক রান তো নেওয়া যায়ই। আর এখানে ২-৩-৪ ওভারেও হয়তো একটা রানও হলো না। প্রথম ইনিংসেই যেমন ১৭ থেকে ১৮-তে যেতে আমার ৩৩ বল লেগেছে। আমি ধৈর্য হারাইনি। জানতাম, একসময় রান করার মতো বল আসবেই।

শুভ্র: এই যে ৩৩ বলে রান নিতে না পেরেও অবিচল থাকলেন তামিম ইকবাল, এটা তো আপনার সহজাত ব্যাটিংয়ের সঙ্গে যায় না। এই পরিবর্তনটা কীভাবে—বয়স-অভিজ্ঞতা-আত্মবিশ্বাস-সমালোচকদের ভয় কোনটির বেশি অবদান?

তামিম: সবকিছুই আছে। তবে এ ধরনের উইকেটে চাপমুক্তির জন্য কখনো কখনো বাড়তি ঝুঁকি নিতেই হবে। প্রথম ইনিংসে লায়নের বিপক্ষে যেমন নিয়েছি, তাতে কাজও হয়েছে। এমন ঝুঁকি নিতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেও বুঝতে হবে, এটা আমার প্ল্যানেরই অংশ।

শুভ্র: আপনার বিচারে এই দুটি ইনিংস কোথায় থাকবে?

তামিম: ওপরের দিকেই। আপনাকে এর আগেও বলেছি, অনেক সময় ৩০-৪০ রানও সেঞ্চুরির চেয়ে বড় হতে পারে। এখানেও সেই তৃপ্তিটা আছে। তবে এক শ মিস করার দুঃখটা তো থাকবেই। ম্যাচে যদি দুইটা সেঞ্চুরি হয়ে যেত...ভাবা যায়!

শুভ্র: বয়স-অভিজ্ঞতা সব মিলিয়ে ব্যাটসম্যান তামিমের এখন মধ্যগগনে থাকার কথা। গত কিছুদিন রানেও সেটির প্রমাণ মিলছে। সম্ভবত আপনার সেরা সময় যাচ্ছে এখন। কোনো রহস্য আছে?

তামিম: গত দুই বছর সিরিজের আগে, ম্যাচের আগে আমার প্রস্তুতিটা খুব কাজে দিচ্ছে। ব্যাটিং প্র্যাকটিসটা বেশিও করছি না, কমও করছি না। মাথা খুব পরিষ্কার থাকছে। সবকিছু মিলিয়ে বলতে পারি, মানসিকভাবে আমি এখন আদর্শ একটা অবস্থায় আছি।

শুভ্র: প্রস্তুতির ব্যাপারটা যদি একটু বিস্তারিত বলতেন...

তামিম: এই প্রস্তুতির মধ্যে ঘুমটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে হয়তো ম্যাচের আগে ঘুমাতে ঘুমাতে রাত সাড়ে বারোটা-একটা বাজিয়ে ফেলতাম। লেট নাইট-টাইটের জন্য নয়, আমি কেমন ছেলে, তা তো আপনি জানেনই। হয়তো রুমেই এটা-ওটা করতে করতে ঘুমাতে দেরি হয়ে যেত। গত দুই বছরে বুঝেছি, ঘুম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আর প্র্যাকটিসে কত বল খেললাম, সেটি আর আমার কাছে কোনো ব্যাপার নয়। ২-৩ ঘণ্টা প্র্যাকটিসও করি না। হয়তো পনেরো মিনিট ব্যাটিং করি, তবে সেটি খুব কঠিনভাবে। আপনি ভালো সময়ের কথা বলছেন, তবে আমি কিন্তু পুরোপুরি খুশি না। অনেক রান করেছি, কিন্তু আরও ভালো করতে পারতাম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (দ্বিতীয় টেস্টে) ৮২ রানে আউট হয়ে গেলাম, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯৫ রানে (চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে)—এগুলো তো সুযোগ নষ্ট করা।

শুভ্র: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট, একটু কি অন্য রকম অভিজ্ঞতা?

তামিম: অন্য রকম বলতে ওদের খেলা অনেক দেখেছি, অনেকের খেলা আমার পছন্দও। ওদের সঙ্গে একই মাঠে টেস্ট খেলছি, এটাতে তো একটু বাড়তি রোমাঞ্চ ছিলই। দেখেছি, ওরা কীভাবে কী করে।

শুভ্র: অস্ট্রেলিয়ানদের তো ব্যাট-বলের সঙ্গে মুখও সমানতালে চলে। স্লেজ

Thursday, August 31, 2017

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব তা দেখেছে অবাক চোখে। বিদেশি গণমাধ্যমেও ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে এই সফলতার খবর।

ক্রিকেট বিশ্বের প্রতিটি সংবাদমাধ্যমেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের খবরকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ তাদের ‘অস্ট্রেলিয়ার আত্মসমর্পণে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়য়’ শীর্ষক প্রতিবেদনে লিখেছে, ‘সেঞ্চুরিয়ান ডেভিড ওয়ার্নার ও অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে যখন সাজঘরে পাঠাল বাংলাদেশ, তখনই অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারে ধ্বস নেমেছিলও। অন্যদিকে স্বাগতিকরা পাচ্ছিলো জয়ের সুবাস। প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিখ্যাত জয় তুলে নতুন কীর্তিও গড়লো শেষ পর্যন্ত। বাংলাদেশ মাঠের বাইরে কিংবা ভিতরে; সবখানেই দারুণ সাড়া দিয়েছে।’

ডেইলি মেইল তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম দিয়েছে, ‘অ্যাশেজের আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার হার, সাকিব আল হাসানের ১০ উইকেট বিখ্যাত এই জয় নিশ্চিত করেছে।’

পুরো প্রতিবেদনে সাকিবের ১০ উইকেট ও ব্যাট হাতে তার পারফরম্যান্সকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার প্রথমবারের মতো উপমহাদেশে সেঞ্চুরি করেছেন সেটাও সামনে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা লিখেছে, ওয়ার্নার উপমহাদেশে নিজেকে ফিরে পেলেও জয়টা হাতছাড়া করতেই হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদমাধ্যম টাইমস লাইভ লিখেছে, ‘সাকিবের নৈপূণ্যে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ।’
নিউজিল্যান্ডভিত্তিক স্টাফ নিউজ বাংলাদেশের জয় নিয়েছে লিখেছে, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ী বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্নে বিভোর।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দীর্ঘদিনের মিনোস তকমা কাটিয়ে বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষের সফলতা পাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে পরাজিত করেছে দলটি।’

পাকিস্তানের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ‘ডন’ বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় প্রসঙ্গে লিখেছে, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক টেস্ট জিতেছে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলেছে, ‘প্রথমবারের মতো নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্ট ম্যাচে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। ম্যাচ সেরা সাকিব আল হাসান দুই ইনিংসে পাঁচটি করে মোট ১০ উইকেট নিয়েছেন।’

আনন্দবাজার লিখেছে, ‘অস্ট্রেলিয়া বলেই শুধু জয় নয়, জবাবও’। তারা বলছে, ‘বুধবার বাংলাদেশে ভোরের সূর্য উঠেছে জয়ের বার্তা নিয়ে। দেশ জুড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের আবাহন। কিছুদিন আগে হলেও কি এমন বলা যেত! মনে হয় না। টেস্টের চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়ার জিততে দরকার ছিল ১৫৬ রান। বাংলাদেশের ৮ উইকেট। বছর দুয়েক আগে হলেও বলে দেওয়া যেত, মিরপুরে নির্ঘাত লেখা হতে চলেছে স্বপ্নভঙ্গের আর এক গল্প। বাংলাদেশ আশা জাগিয়েও পারবে না। কারণ বাংলাদেশ পারে না।‘

সেরা ১০ DSLR ক্যামেরা

সেরা ১০ DSLR ক্যামেরা

ফটোগ্রাফি অনেকেরই শখের বিষয়। তবে এখন অনেকেই শুধু শখের বসে নয়, কাজ করছেন পেশাদার ফটোগ্রাফার হিসেবে। আর এজন্য দরকার একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা।

শুরুর দিকে অনেকেই বাজেট স্বল্পতার কারণে পছন্দের ক্যামেরাটি কিনতে পারেন না। তাই বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে ভালো ছবি তোলা যায় এমন ক্যামেরাই নতুন ফটোগ্রাফারদের পছন্দ। এ রকমই ১০টি ক্যামেরার খবর জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেক রাডার ডটকম।

১. নিকন ডি৩৩০০

নিকনের ডি৩৩০০ মডেলের ক্যামেরাটি নতুন ফটোগ্রাফারদের জন্য খুবই ভালো একটি ক্যামেরা। ২৪ দশমিক ২ মেগাপিক্সেলের এই ক্যামেরা নিকনের অন্যান্য ডিএসএলআর ক্যামেরার মতোই কাজ করে। তবে দাম তুলনামূলকভাবে কম। তবে এর দুর্বলতার মধ্যে রয়েছে এতে কোনো আর্টিকুলেটেড টাচ-স্ক্রিন ডিসপ্লে বা ওয়াই-ফাই সংযোগ নেই। 

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল : ২৪ দশমিক ২

লেন্স মাউন্ট : নিকন ডিএক্স

স্ক্রিন : ৩ ইঞ্চি, ৯ লাখ ২১ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৫এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেলস

দাম : ৩৩৯ ডলার থেকে শুরু

২. ক্যানন ইওএস ৭৫০ডি (রেবেল টি৬আই)

উচ্চমাত্রার আইএসও সেন্সিটিভিটির জন্য দারুণ ঝকঝকে ছবি তোলা যায় এই ক্যামেরা দিয়ে। এর মেগাপিক্সেল ২৪ দশমিক ২। ক্যানন ৭৫০ডি মডেলের ক্যামেরাটিতে রয়েছে উন্নতমানের অটোফোকাস এবং এক্সপোজার মিটারিং সিস্টেম। আরো আছে বিল্ট-ইন ওয়াই-ফাই ও এনএফসি।

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল : ২৪ দশমিক ২

লেন্স অ্যামাউন্ট : ক্যানন ইএফ-এস

স্ক্রিন : ৩ ইঞ্চি আর্টিকুলেটিং টাচ-স্ক্রিন, ১০ লাখ ৪০ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৫এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেল

দাম : ৫৬৪ ডলার থেকে শুরু

৩. নিকন ডি৫৫০০

ক্যাননের ৭৫০ডি মডেলের ক্যামেরার সঙ্গে নিকন ডি৫৫০০ ক্যামেরার তুলনা চলে। নিকনের ডি৩০০০ সিরিজের ক্যামেরাগুলো তৈরি করা হয়েছিল নতুন ফটোগ্রাফারদের হাতে কম দামে ডিএসএলআর ক্যামেরা তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে। এতে রয়েছে টাচস্ক্রিন কন্ট্রোল, বিল্ট-ইন ওয়াই-ফাই। এর মেগাপিক্সেল ২৪ দশমিক ২। 

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল : ২৪ দশমিক ২

লেন্স অ্যামাউন্ট : নিকন ডিএক্স

স্ক্রিন : ৩ দশমিক ২ ইঞ্চি আর্টিকুলেটিং টাচ-স্ক্রিন, ১০ লাখ ৪০ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৫এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেল

দাম : ৬৩৯ ডলার থেকে শুরু

৪. ক্যানন ইওএস ৭৬০ডি (রেবেল টি৬এস)

ক্যানন এর ইওএস ৭০০ডি ক্যামেরার পরবর্তী দুটি সংস্করণ হচ্ছে ইওএস ৭৫০ডি এবং ইওএস ৭৬০ডি। ক্যামেরা দুটোর কারিগরী দিক কাছাকাছি হলেও ইওএস ৭০০ডি এর তুলনায় এই ক্যামেরা দুটির ভিন্নতা রয়েছে বাহ্যিক দিক থেকে। ক্যামেরার বডিতে রয়েছে থাম্বহুইল ও টপ প্লেট এলসিডি ডিসপ্লে। এ ধরনের ফিচারগুলো ক্যাননের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরাগুলোতেই পাওয়া যায়। ওজনেও ইওএস ৭৫০ডি ক্যামেরাটি তুলনামূলকভাবে হালকা।

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল : ২৪ দশমিক ২

লেন্স অ্যামাউন্ট : ক্যানন ইএফ-এস

স্ক্রিন : ৩ ইঞ্চি আর্টিকুলেটিং টাচ-স্ক্রিন, ১০ লাখ ৪০ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৫ এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেল

দাম : ৬৪৯ ডলার থেকে শুরু

৫. নিকন ডি৫৩০০

নিকনের ডি৫৩০০ ক্যামেরায় ২৪ দশমিক ২ মেগাপিক্সেলের সেন্সর সাথে রয়েছে আইডেন্টিকাল মেক্সিমাম আইএসও ২৫৬০০ সেন্সিটিভিটি। এই ক্যামেরার টাচস্ক্রিন খুব একটা সুবিধার না হলেও এতে আছে জিপিএস।

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল : ২৪ দশমিক ২

লেন্স মাউন্ট : নিকন ডিএক্স

স্ক্রিন : ৩ দশমিক ২ ইঞ্চি আর্টিকুলেটিং, ১০ লাখ ৩৭ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৫ এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেল

দাম : ৫১০ ডলার থেকে শুরু

৬. ক্যানন ইওএস ৭০০ডি (রেবেলটি৫আই)

২০১০ সালে প্রথম বাজারে ছাড়া হয়েছিল এই ক্যামেরা। তবে এখনো ফটোগ্রাফি শেখার জন্য প্রাথমিকভাবে এটি খুবই ভালো ক্যামেরা। এতে রয়েছে নাইন-পয়েন্ট অটোফোকাস সিস্টেম ও ওয়াই-ফাই কানেক্টিভিটি।

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল ১৮

লেন্স মাউন্ট : ক্যানন ইএফ-এস

স্ক্রিন : ৩ ইঞ্চি আর্টিকুলেটিং টাচস্ক্রিন, ১০ লাখ ৪০ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৫ এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেল

দাম : ৪৯৭ ডলার থেকে শুরু

৭. ক্যানন ইওএস ১০০ডি (রেবেল এসএল১)

২০১৩ সালের মার্চে এই ক্যামেরা যখন বাজারে ছাড়া হয় তখন এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ডিএসএলআর ক্যামেরা। এতে আছে ১৮ মেগাপিক্সেলের এপিএস-সি ফরম্যাট সেন্সর। ৩ ইঞ্চি টাচ সেন্সিটিভ স্ক্রিন।

সেন্সর : এপিএস-সি সিএমওএস

মেগাপিক্সেল : ১৮

লেন্স মাউন্ট : ক্যানন ইএফ-এস

স্ক্রিন : ৩ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন, ১০ লাখ ৪০ হাজার ডটস

কন্টিনিউয়াস শুটিং স্পিড : ৪ এফপিএস

সর্বোচ্চ ভিডিও রেজ্যুলেশন : ১০৮০ পিক্সেল

দাম : ৩৭১ ডলার থেকে শুরু।